
ইসলামে সময়ের গুরুত্ব: জীবন সাজাতে সময়ের সঠিক ব্যবহার
সময় মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান এবং সীমিত মূলধন। চলে যাওয়া সময়কে পৃথিবীর সমস্ত ধন-সম্পদ দিয়েও কখনো ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। সময়ের গুরুত্ব বোঝাতে মহান আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের সূরা আল-আসরে সময়ের কসম খেয়ে বলেছেন, 'সময়ের কসম, নিশ্চয়ই মানুষ চরম ক্ষতিগ্রস্ত। তবে তারা ছাড়া যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করেছে এবং একে অপরকে সত্য ও ধৈর্যের উপদেশ দিয়েছে।' (সূরা আসর: ১-৩)। একজন মুসলিমের জীবনে অনর্থক বা বেকার সময় কাটানোর কোনো সুযোগ নেই। প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ মূলত আমাদের একটি চমৎকার রুটিন ও সময়ানুবর্তিতা শেখায়। আলসেমি এবং আজকের কাজ আগামীকালের জন্য জমিয়ে রাখার অভ্যাস (Procrastination) একজন মানুষের ক্যারিয়ার ও আত্মিক উন্নতি দুটোই ধ্বংস করে দেয়। কিয়ামতের দিন যে পাঁচটি প্রধান প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কোনো মানুষ এক কদমও নড়তে পারবে না, তার মধ্যে অন্যতম হলো—সে তার জীবন এবং যৌবনের সময়গুলো কোন কাজে ব্যয় করেছে। তাই সফল হতে হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনর্থক স্ক্রলিং করা বা আড্ডা দেওয়া বন্ধ করতে হবে। প্রতিদিনের জন্য একটি বাস্তবসম্মত ইসলামিক রুটিন তৈরি করুন, যেখানে দ্বীন, দুনিয়া এবং পরিবারের জন্য সুনির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ থাকবে।